ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী মোট ১৯টি কারণে রোজা ভেঙে যায়। এর মধ্যে ৯টি কারণে শুধু কাজা ওয়াজিব হয় এবং ১০টি কারণে (বা কিছু মতে ৯টিতে) কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হয়। মূল বিষয়গুলো হলো ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করা, স্ত্রীসহবাস করা, বমি করা, ইনজেকশন বা স্যালাইন নেওয়া (পুষ্টিকর হলে), ধূমপান করা ইত্যাদি।
রমজান মাসে রোজা রাখা প্রতিটি মুসলমানের জন্য ফরজ। কিন্তু অনেকেরই প্রশ্ন থাকে কোন কাজটি করলে রোজা ভেঙে যায়? কোনটিতে কাজা দিতে হয়, আর কোনটিতে কাজা ও কাফফারা উভয়ই দিতে হয়? এই আর্টিকেলে আমরা হানাফি মাজহাবের ফিকহের আলোকে বিস্তারিত আলোচনা করব।
রোজা ভঙ্গের কারণ কয়টি এবং কী কী?
ইসলামী ফিকহের বিখ্যাত গ্রন্থ হেদায়া, ফাতাওয়ায়ে শামী ও বেহেশতী জেওর-এর আলোকে রোজা ভঙ্গের কারণ সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
| ভাগ | কারণের সংখ্যা | বিধান |
|---|---|---|
| প্রথম ভাগ | ৯টি | শুধু কাজা ওয়াজিব |
| দ্বিতীয় ভাগ | ১০টি (কিছু মতে ৯টি) | কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব |
কাজা ওয়াজিবকারী ৯টি কারণ (রোজা ভাঙে, শুধু কাজা দিতে হয়)
নিচের কারণগুলো রোজা ভেঙে দেয়, তবে শুধু একটি রোজার কাজা করলেই চলে, কাফফারা দিতে হয় না।
- ইচ্ছাকৃত বমি করা (এক মুখ ভরে): যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করে, তাহলে রোজা ভেঙে যায়। তবে অনিচ্ছাকৃত বমি হলে রোজা ভাঙে না।
- ঘুমের মধ্যে স্বপ্নদোষ হওয়া নয় — তবে ইচ্ছাকৃত বীর্যপাত: ইচ্ছাকৃতভাবে হস্তমৈথুন বা অন্য পন্থায় বীর্যপাত ঘটানো হলে রোজা ভেঙে যায়।
- কুলি করতে গিয়ে বা নাকে পানি দিতে গিয়ে পেটে পানি চলে গেলে: রোজাদার অবস্থায় ওজু বা গোসলের সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে পেটে পানি গেলে শুধু কাজা লাগবে।
- কোনো ওষুধ বা তেল কানে দিলে: কান দিয়ে ভেতরে ওষুধ প্রবেশ করলে রোজা ভেঙে যায়।
- দাঁতের ফাঁকে আটকানো ছোলা পরিমাণ বা বড় খাদ্যদ্রব্য গিলে ফেললে: যদি দাঁতের ফাঁকে ছোলার চেয়ে বড় কোনো খাদ্যকণা থাকে এবং গিলে ফেলা হয়।
- পেটে বা মাথায় (মস্তিষ্কে) ইনজেকশন নেওয়া: পুষ্টিকর ইনজেকশন বা স্যালাইন পেটে বা মস্তিষ্কে গেলে কাজা ওয়াজিব হয়।
- জোর করে কেউ কিছু খাইয়ে দিলে: যদি কেউ জোর করে অন্যের মুখে খাবার দিয়ে গিলিয়ে দেয়, তাহলে কাজা লাগবে।
- ভুলে কিছু খেয়ে রোজা ভেঙে গেছে মনে করে পুনরায় খেলে: ভুলে খেয়ে ফেলার পর মনে করে যে রোজা ভেঙে গেছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে আবার খেলে কাজা লাগে।
- নফল বা কাজা রোজায় দুপুরের আগে ভেঙে ফেললে: নফল বা কাজা রোজা শুরু করে পরে ভেঙে ফেললে সেই রোজার কাজা করতে হবে।
কাজা ও কাফফারা উভয় ওয়াজিবকারী ১০টি কারণ
নিচের কারণে রোজা ভাঙলে একটি কাজা রোজার পাশাপাশি কাফফারাও আদায় করতে হবে। এগুলো সবই ইচ্ছাকৃত কাজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: কাফফারার বিধান হলো — একটানা ৬০ দিন রোজা রাখা। যদি তা সম্ভব না হয়, তাহলে ৬০ জন মিসকিনকে দুই বেলা খাওয়ানো। আর একেবারেই সম্ভব না হলে একজন দাসকে মুক্ত করা (বর্তমানে প্রযোজ্য নয়)।
- ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করা: রমজানের রোজায় ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু খেলে বা পান করলে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব।
- স্ত্রীসহবাস (সহবাসে লিপ্ত হওয়া): স্বামী-স্ত্রী উভয়ের ইচ্ছায় দিনের বেলা সহবাস করলে কাজা ও কাফফারা ওয়াজিব হয়।
- ইচ্ছাকৃত ধূমপান করা: সিগারেট, বিড়ি, হুক্কা ইত্যাদি ধূমপান ইচ্ছাকৃতভাবে করলে রোজা ভেঙে যায় এবং কাফফারা লাগে।
- আগরবাতি বা আতরের ধোঁয়া ইচ্ছাকৃতভাবে টেনে নেওয়া: শুধু সুগন্ধ নয়, ইচ্ছাকৃতভাবে ধোঁয়া টেনে নিলে রোজা ভাঙে।
- ইচ্ছাকৃতভাবে মাটি বা কাদা খাওয়া: রোজাদার অবস্থায় ইচ্ছা করে অখাদ্য জিনিস যেমন মাটি, কাদা, লোহা ইত্যাদি গিলে ফেললে।
- রোজাদার অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করতে গিয়ে বীর্যপাত হলে (কিছু মতে): এ বিষয়ে মতভেদ আছে, তবে অনেক ফকিহের মতে এতে শুধু কাজা লাগে।
- দাঁত থেকে রক্ত গলায় গেলে (রক্তের পরিমাণ থুথুর চেয়ে বেশি হলে): এক্ষেত্রে অনেক মতে কাজা লাগে, তবে গুরুতর হলে কাফফারাও হতে পারে।
- পেট ভরে পান (খইনি, জর্দা) খাওয়া: মুখে পান রেখে রস গিলে ফেললে রোজা ভেঙে যায়।
- নাকে ওষুধ দেওয়া যা পেটে পৌঁছায়: ইচ্ছাকৃতভাবে নাক দিয়ে ওষুধ বা পানি প্রবেশ করানো।
- চোখে সুরমা দেওয়া (এর গন্ধ গলায় পৌঁছালে — কিছু মতে): বেশিরভাগ ফকিহের মতে চোখে সুরমা দেওয়ায় রোজা ভাঙে না, তবে সতর্ক থাকা উত্তম।
রোজা ভঙ্গের কারণগুলো এক নজরে (সারসংক্ষেপ টেবিল)
| কারণ | বিধান |
|---|---|
| ইচ্ছাকৃত পানাহার | কাজা + কাফফারা |
| স্ত্রীসহবাস (ইচ্ছাকৃত) | কাজা + কাফফারা |
| ইচ্ছাকৃত ধূমপান | কাজা + কাফফারা |
| ইচ্ছাকৃত বমি (মুখ ভরে) | শুধু কাজা |
| কানে ওষুধ দেওয়া | শুধু কাজা |
| ইচ্ছাকৃত বীর্যপাত (সহবাস ছাড়া) | শুধু কাজা |
| ওজুতে অনিচ্ছায় পেটে পানি যাওয়া | শুধু কাজা |
| পেটে বা মাথায় পুষ্টিকর ইনজেকশন | শুধু কাজা |
| দাঁতের ফাঁকের খাবারকণা গেলা | শুধু কাজা |
| ইচ্ছাকৃত মাটি বা অখাদ্য গেলা | কাজা + কাফফারা |
| নাকে ওষুধ/পানি প্রবেশ করানো | শুধু কাজা |
| পান/জর্দার রস গলায় যাওয়া | কাজা + কাফফারা |
| ভুলে খেয়ে ভেঙেছে ভেবে পুনরায় খাওয়া | শুধু কাজা |
| আগরবাতির ধোঁয়া ইচ্ছায় টানা | কাজা + কাফফারা |
| জোর করে কেউ খাইয়ে দিলে | শুধু কাজা |
| দাঁত থেকে রক্ত গলায় গেলে (পরিমাণে বেশি) | কাজা (কিছু মতে কাফফারাও) |
| নফল রোজা ভেঙে ফেলা | শুধু কাজা |
| ইচ্ছাকৃতভাবে বমি মুখে এনে গেলা | কাজা + কাফফারা |
| রোজার নিয়ত না করা (ফরজ রোজায়) | রোজা হয়নি, কাজা লাগবে |
কোন কাজে রোজা ভাঙে না
অনেকে এই বিষয়গুলো নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েন। নিচের কাজগুলোতে রোজা ভাঙে না:
- ভুলবশত পানাহার করা — রোজাদার মনে করে নিজেই খেতে পারে, তারপর মনে পড়লে বন্ধ করতে হবে
- স্বপ্নদোষ হওয়া — ঘুমের মধ্যে হলে রোজা অক্ষুণ্ণ থাকে
- চোখে বা কানে পানি চলে গেলে (ওষুধ নয়)
- রক্ত পরীক্ষার জন্য সুই ফোটানো বা রক্তদান
- মিসওয়াক বা ব্রাশ করা (পেস্ট গিলে না ফেললে)
- সুগন্ধি বা আতর ব্যবহার করা (ধোঁয়া না টানলে)
- ইনহেলার ব্যবহার করা — এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতভেদ আছে, তাই বিশেষজ্ঞ আলেমের পরামর্শ নেওয়া উচিত
- কাউকে চুম্বন করা (তবে পরিহার করা উত্তম, বিশেষত কামভাব জাগলে)
- ইনজেকশন নেওয়া — যদি পুষ্টিকর না হয় এবং পেটে বা মস্তিষ্কে না যায়
- দাঁতের ফাঁকে ছোলার চেয়ে ছোট কণা থেকে যাওয়া
রোজা মাকরুহ হওয়ার কারণগুলো
কিছু কাজ আছে যেগুলো রোজা ভাঙে না, কিন্তু রোজাকে মাকরুহ (অপছন্দনীয়) করে দেয়:
- গড়গড়া বা কুলি করার সময় প্রয়োজনের বেশি পানি মুখে রাখা
- বিনা কারণে কিছু চাবানো বা স্বাদ নেওয়া
- শরীরে তেল বা সুগন্ধি ব্যবহার অতিরিক্ত করা
- ঝগড়া করা, গালি দেওয়া বা মিথ্যা বলা
- রক্তমোক্ষণ করানো (শরীর দুর্বল হয়ে পড়লে)
কাফফারা কী এবং কীভাবে আদায় করতে হয়?
রোজার কাফফারা বলতে বোঝায় — রমজানের একটি ফরজ রোজা ইচ্ছাকৃতভাবে ভেঙে ফেললে তার প্রায়শ্চিত্ত। এটি তিনটি ধাপে আদায় করা যায়:
- একজন গোলামকে মুক্ত করা — বর্তমান যুগে প্রযোজ্য নয়।
- একটানা ৬০ দিন রোজা রাখা — মাঝে কোনো কারণ ছাড়া ছেদ হলে আবার শুরু থেকে গণনা করতে হবে। অসুস্থতা বা মহিলাদের হায়েজের কারণে বিরতি হলে সমস্যা নেই।
- ৬০ জন মিসকিনকে দুবেলা তৃপ্তিসহ খাওয়ানো — যারা ৬০ দিন রোজা রাখতে সক্ষম নন, তারা এই পথ বেছে নিতে পারেন।
মনে রাখুন: এক রমজানে একাধিকবার রোজা ভাঙলে একটিই কাফফারা যথেষ্ট — যদি প্রথম রোজা ভাঙার কাফফারা আদায়ের আগেই দ্বিতীয়বার ভাঙা হয়। কিন্তু ভিন্ন রমজানে ভাঙলে আলাদা কাফফারা লাগবে।
আধুনিক জীবনে রোজা ভঙ্গের প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন
ইনহেলার ব্যবহার করলে কি রোজা ভাঙে?
এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। কিছু আলেম বলেন এতে রোজা ভাঙে না কারণ ওষুধ মূলত ফুসফুসে যায়, পেটে নয়। অনেকে বলেন সতর্কতার জন্য কাজা করা উচিত। যে রোগীর ইনহেলার ছাড়া উপায় নেই, তার জন্য শরিয়াহ-সম্মত ছাড় আছে।
ইনজেকশন বা স্যালাইন নিলে কি রোজা ভাঙে?
যদি ইনজেকশন শুধু ওষুধের (যেমন অ্যান্টিবায়োটিক) হয় এবং পুষ্টিকর না হয়, তাহলে রোজা ভাঙে না। কিন্তু যদি গ্লুকোজ বা পুষ্টিকর স্যালাইন শিরায় দেওয়া হয়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে এবং কাজা করতে হবে।
দাঁত ব্রাশ করলে কি রোজা ভাঙে?
না, ব্রাশ করলে রোজা ভাঙে না — তবে পেস্ট গিলে ফেললে ভাঙে। মিসওয়াক করা সুন্নত এবং এতে রোজার কোনো ক্ষতি হয় না।
রক্ত পরীক্ষা বা ইনসুলিন ইনজেকশন নিলে রোজা ভাঙে?
রক্ত পরীক্ষার জন্য রক্ত দিলে রোজা ভাঙে না। ইনসুলিন ইনজেকশন সরাসরি রক্তে যায়, পেটে নয় — তাই বেশিরভাগ আলেমের মতে এতে রোজা ভাঙে না।
গান শোনা বা সিনেমা দেখলে কি রোজা ভাঙে?
গান শোনা বা সিনেমা দেখলে রোজা ভাঙে না — তবে রোজার সওয়াব কমে যায় এবং এগুলো মাকরুহ বা হারাম কাজ। রোজার পবিত্রতা রক্ষা করা উচিত।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলি
প্রশ্ন: রোজা ভঙ্গের কারণ কয়টি?
উত্তর: ইসলামী ফিকহ অনুযায়ী মোট ১৯টি কারণে রোজা ভেঙে যায়। ৯টিতে শুধু কাজা এবং বাকিগুলোতে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হয়।
প্রশ্ন: রোজা ভেঙে গেলে কি কাফফারা দিতেই হবে?
উত্তর: না, সব ক্ষেত্রে নয়। শুধুমাত্র রমজানের ফরজ রোজা ইচ্ছাকৃতভাবে ভাঙলে কাফফারা লাগে। ভুলে বা অনিচ্ছায় ভাঙলে শুধু কাজা যথেষ্ট।
প্রশ্ন: রোজা অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করলে কি রোজা ভাঙে?
উত্তর: শুধু চুম্বনে সাধারণত রোজা ভাঙে না, তবে মাকরুহ। কিন্তু যদি এতে বীর্যপাত হয়, তাহলে কাজা ওয়াজিব হবে।
প্রশ্ন: ডায়াবেটিস রোগী কি রোজা রাখতে পারবে?
উত্তর: ডায়াবেটিস রোগীর ক্ষেত্রে ডাক্তার ও ইসলামী আলেম উভয়ের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। শরীরের ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে রোজা না রাখার অনুমতি আছে এবং পরে কাজা করা যাবে।
প্রশ্ন: রোজার নিয়ত কতক্ষণ আগে করতে হয়?
উত্তর: ফরজ রোজার নিয়ত রাতে বা ভোরে সাহরির সময় করাই উত্তম। রমজান মাসে রাত থেকে নিয়ত করলে চলে। তবে নফল রোজার নিয়ত দুপুরের আগে করা যায়।
প্রশ্ন: কাফফারার ৬০ দিন রোজার মাঝে বিরতি হলে কী করতে হবে?
উত্তর: যদি বিনা কারণে বিরতি হয়, তাহলে আবার শুরু থেকে গণনা করতে হবে। তবে মহিলাদের হায়েজ বা অসুস্থতার কারণে বিরতি হলে সেই দিনগুলো বাদ দিয়ে বাকি দিন গণনা অব্যাহত রাখা যাবে।
প্রশ্ন: রোজা অবস্থায় চোখে ড্রপ বা কানে ওষুধ দিলে কি রোজা ভাঙে?
উত্তর: চোখে ড্রপ দিলে সাধারণত রোজা ভাঙে না (যদিও গলায় স্বাদ আসতে পারে, তবে তা ক্ষতিকর নয়)। কানে ওষুধ দিলে যদি তা কানের ভেতর দিয়ে পেটে পৌঁছায়, তাহলে কাজা লাগবে।
উপসংহার
রোজা ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের একটি। রমজান মাসে সহীহভাবে রোজা পালন করতে হলে কোন কাজগুলো রোজা ভেঙে দেয় এবং কোন কাজগুলো মাকরুহ করে তা জানা প্রতিটি মুসলমানের দায়িত্ব। উপরে আলোচিত ১৯টি কারণ হানাফি মাজহাবের ফিকহের আলোকে তুলে ধরা হয়েছে।
কোনো বিষয়ে সংশয় বা জটিল পরিস্থিতিতে অবশ্যই বিশ্বস্ত আলেম বা মুফতির কাছ থেকে ফতওয়া নেওয়া উচিত। কারণ পরিস্থিতিভেদে বিধান পরিবর্তন হতে পারে।
রোজা ভঙ্গের কারণ রোজার মাসআলা কাজা রোজা কাফফারা রমজান ২০২৫ ইসলামিক ফিকহ হানাফি মাজহাব রোজার নিয়ম
📚 রেফারেন্স: ফাতাওয়ায়ে শামী (ইবনে আবিদিন), হেদায়া (বুরহানুদ্দিন মারগিনানি), বেহেশতী জেওর (মাওলানা আশরাফ আলী থানভি), ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত রমজানবিষয়ক গাইড।

আমি একজন অডিটর। আমি একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে বাংলাদেশের সরকারি বিধিবিধান, বিভিন্ন শিক্ষামুলক ও বিভিন্ন সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে ৫ বছর ধরে লেখালেখি করছি। সরকারি চাকুরীর সুবাদে বিভিন্ন বিধি বিধান নিয়ে সব সময় স্টাডি করে থাকি। সরকারি সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র প্রায়শই পড়া হয়। তাই নিজের প্রাকটিক্যাল জ্ঞান আপনাদের সাথে শেয়ার করি।