পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে কি কি কাগজ লাগে

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে যে কাগজগুলো লাগে:

  • বৈধ পাসপোর্ট (ন্যূনতম ৩ মাস মেয়াদসহ)
  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্ম নিবন্ধন সনদ
  • পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত স্ক্যান কপি (১ম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক)
  • ট্রেজারি চালান বা অনলাইন পেমেন্ট রশিদ (৫০০ টাকা)
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি (১ কপি)
  • ওয়ার্ড কাউন্সিলর / চেয়ারম্যানের নাগরিক সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

আবেদন করুন: pcc.police.gov.bd

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কী?

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট (Police Clearance Certificate বা PCC) হলো বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক প্রদত্ত একটি অফিসিয়াল প্রত্যয়নপত্র। এই সনদ প্রমাণ করে যে আবেদনকারীর বিরুদ্ধে কোনো থানায় ফৌজদারি মামলা নেই এবং তিনি একজন সুনাগরিক।

বিদেশ যেতে, ভিসার আবেদন করতে, বিদেশে চাকরি নিতে বা উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে এই সার্টিফিকেটটি প্রায় সব ক্ষেত্রেই বাধ্যতামূলক।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কেন দরকার হয়?

বাংলাদেশ থেকে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট সাধারণত নিচের কারণে প্রয়োজন হয়:

  • বিদেশে কাজের ভিসার আবেদন (সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি)
  • বিদেশে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে
  • পিআর (স্থায়ী বাসিন্দা) বা নাগরিকত্বের আবেদনে
  • বিদেশে বিবাহ নিবন্ধনের সময়
  • দেশের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি চাকরির আবেদনে (জেলা SB অফিস থেকে)

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে কি কি কাগজ লাগে?

১. বাধ্যতামূলক কাগজপত্র (সবার জন্য)

ক. বৈধ পাসপোর্ট

  • পাসপোর্টের মেয়াদ আবেদনের তারিখ থেকে কমপক্ষে ৩ মাস থাকতে হবে।
  • পাসপোর্টে উল্লিখিত স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানার যে কোনো একটি অবশ্যই সংশ্লিষ্ট মেট্রোপলিটন বা জেলা পুলিশের আওতাধীন এলাকায় হতে হবে।

খ. পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত স্ক্যান কপি

  • দেশে অবস্থানকারীদের জন্য: ১ম শ্রেণির সরকারি গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত করতে হবে।
  • বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশিদের জন্য: সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস / হাইকমিশন কর্তৃক সত্যায়িত কপি।
  • বিদেশি নাগরিকদের জন্য: নিজ দেশের Justice of Peace কর্তৃক সত্যায়িত কপি।

গ. জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম নিবন্ধন সনদ

  • পাসপোর্টে যদি ঠিকানা উল্লেখ না থাকে (MRP পাসপোর্টের ক্ষেত্রে), তাহলে ঠিকানা প্রমাণের জন্য NID বা জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি ১ম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা দ্বারা সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে।

ঘ. আবেদন ফি পরিশোধের প্রমাণ

  • বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের যে কোনো শাখায় কোড (১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১)-তে ৫০০ টাকার ট্রেজারি চালান অথবা
  • অনলাইনে ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড, বিকাশ, নগদ, রকেট বা উপায়-এর মাধ্যমে নির্ধারিত সার্ভিস চার্জসহ ফি প্রদান।

ঙ. পাসপোর্ট সাইজের ছবি

  • ১ কপি সাম্প্রতিক তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।

২. অতিরিক্ত কাগজপত্র (নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে)

ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার বাসিন্দাদের জন্য:

  • সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নাগরিক সনদপত্র।

সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভা এলাকার বাসিন্দাদের জন্য:

  • ওয়ার্ড কাউন্সিলরের নাগরিক সনদপত্র বা প্রত্যয়নপত্র।

প্রবাসী আবেদনকারীর পক্ষে তৃতীয় কেউ আবেদন করলে:

  • প্রবাসী আবেদনকারীর নাম ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর উল্লেখ করে সত্যায়িত একটি অনুমতিপত্র (Authorization Letter) আবেদনের সাথে আপলোড করতে হবে।
  • সনদ সংগ্রহের সময়ও সংগ্রহকারীকে অনুরূপ অনুমতিপত্রসহ যেতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যতীত অন্য দেশ থেকে পাসপোর্ট ইস্যু/রি-ইস্যু করা হলে:

  • সর্বশেষ বাংলাদেশে আসার Arrival সিল সম্বলিত পৃষ্ঠার স্ক্যান কপি।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য অনলাইনে আবেদন করার নিয়ম

ধাপ ১ — রেজিস্ট্রেশন করুন

pcc.police.gov.bd ওয়েবসাইটে যান। “Registration” বাটনে ক্লিক করুন। পাসপোর্ট অনুযায়ী ইংরেজিতে (Block Letter) আপনার নাম, মোবাইল নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিন। ক্যাপচা পূরণ করে “Continue” করুন।

ধাপ ২ — আবেদনপত্র পূরণ করুন

লগইন করার পর “Apply for Police Clearance Certificate” অপশনে ক্লিক করুন। ফর্মের প্রথম অংশে ব্যক্তিগত তথ্য এবং দ্বিতীয় অংশে বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা সঠিকভাবে পূরণ করুন।

ধাপ ৩ — প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করুন

পাসপোর্টের তথ্য পাতার স্ক্যান কপি, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্র আপলোড করুন।

ধাপ ৪ — আবেদনটি সাবমিট করুন

চতুর্থ ধাপে সকল তথ্য যাচাই করুন। সাবমিট করার পর আর পরিবর্তন করা যাবে না, তাই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

ধাপ ৫ — ফি পরিশোধ করুন

“Pay Offline” বা অনলাইন পেমেন্ট অপশনে ক্লিক করুন। ৫০০ টাকা পরিশোধ করুন। গুরুত্বপূর্ণ: চালানের কপির উপর অবশ্যই আপনার Application Reference Number লিখে দিন, না হলে আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

ধাপ ৬ — থানা ভেরিফিকেশন

আবেদন জমা হওয়ার পর আপনার স্থানীয় থানা থেকে পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য যোগাযোগ করা হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে থানায় যোগাযোগ করুন।

ধাপ ৭ — সার্টিফিকেট সংগ্রহ

ভেরিফিকেশন সন্তোষজনক হলে সার্টিফিকেট তৈরি হবে। আপনি চাইলে কুরিয়ারযোগেও পেতে পারেন — সেক্ষেত্রে আবেদন ফর্মে সেটি উল্লেখ করতে হবে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স পেতে কত দিন লাগে?

অবস্থানসময়কাল
ঢাকার ভেতরেসাধারণত ৭ কার্যদিবস
ঢাকার বাইরে১০–১৫ কার্যদিবস

যদি আপনার নামে কোনো থানায় মামলা না থাকে এবং পুলিশ ভেরিফিকেশন সন্তোষজনক হয়, তাহলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সার্টিফিকেট পাওয়া যায়।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদনের অবস্থা কীভাবে জানবেন?

দুটি উপায়ে আবেদনের আপডেট পাওয়া যায়:

SMS এর মাধ্যমে: মোবাইল থেকে টাইপ করুন PCC S [আপনার Reference Number] এবং পাঠান 6969 নম্বরে। ফিরতি SMS-এ আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানা যাবে।

ওয়েবসাইটের মাধ্যমে: pcc.police.gov.bd-তে লগইন করে Dashboard থেকে আবেদনের বর্তমান অবস্থা দেখা যাবে।

দেশের ভেতরে চাকরির জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কীভাবে পাবেন?

বিদেশ যাওয়া ছাড়া দেশের মধ্যে চাকরি বা অন্য কোনো প্রয়োজনে পুলিশ ক্লিয়ারেন্স দরকার হলে অনলাইনে আবেদন করা যাবে না। সেক্ষেত্রে আপনি যে জেলার বাসিন্দা, সেই জেলার Special Branch (SB) অফিস বা সিটি এলাকায় City SB অফিসে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে।

সাধারণ ভুল যা এড়িয়ে চলবেন

  • পাসপোর্টের মেয়াদ ৩ মাসের কম থাকলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
  • আবেদনে দেওয়া ঠিকানা পাসপোর্টে উল্লিখিত ঠিকানার সাথে না মিললে সমস্যা হতে পারে।
  • চালানের উপর Application Reference Number না লিখলে পেমেন্ট গৃহীত হবে না।
  • ভুল তথ্য দিলে পুলিশ ভেরিফিকেশনে সমস্যা হবে এবং সার্টিফিকেট পাওয়া নাও যেতে পারে।
  • আবেদন সাবমিট করার পর চতুর্থ ধাপে গেলে আর কোনো পরিবর্তন করা যায় না।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স যাচাইয়ে পুলিশ কী কী বিষয় দেখে?

বাংলাদেশ পুলিশ নিম্নলিখিত বিষয়গুলো যাচাই করে সার্টিফিকেট প্রদান করে:

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত তথ্য
  • ব্যক্তিচরিত্র সংক্রান্ত তথ্য
  • ফৌজদারি মামলা আছে কি না
  • কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য কি না (কিছু ক্ষেত্রে)
  • থানা রেকর্ডে কিছু লিপিবদ্ধ আছে কি না
  • বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানার সত্যতা

প্রায়শ জিজ্ঞাসিত প্রশ্নসমূহ

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে কত টাকা লাগে?

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের নির্ধারিত সরকারি ফি ৫০০ টাকা। এটি সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিকাশ, নগদ, রকেট বা উপায়ের মাধ্যমে পরিশোধ করা যায়। অনলাইনে কার্ডে পেমেন্ট করলে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ যুক্ত হতে পারে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের মেয়াদ কতদিন?

সাধারণত পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের মেয়াদ ৬ মাস ধরা হয়। তবে যে দেশ বা সংস্থার জন্য আবেদন করছেন, তাদের নির্দেশিকা অনুযায়ী মেয়াদ ভিন্ন হতে পারে।

পাসপোর্ট ছাড়া কি পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করা যায়?

না। অনলাইনে (বিদেশগামীদের জন্য) পুলিশ ক্লিয়ারেন্স আবেদনের জন্য বৈধ পাসপোর্ট থাকা বাধ্যতামূলক। তবে দেশের ভেতরে চাকরি বা অন্য প্রয়োজনে জেলা SB অফিস থেকে ভিন্ন প্রক্রিয়ায় ক্লিয়ারেন্স পাওয়া যায়।

বিদেশ থেকে কি পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের আবেদন করা যায়?

হ্যাঁ। বিদেশে অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিক তাঁর পক্ষে দেশে থাকা যে কেউ আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশে বাংলাদেশ দূতাবাস/হাইকমিশন কর্তৃক পাসপোর্টের তথ্য পাতার সত্যায়িত কপি এবং একটি Authorization Letter আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স কোথা থেকে নেওয়া হয়?

অনলাইনে আবেদন করতে হয় pcc.police.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। আবেদনকারীর বর্তমান বা স্থায়ী ঠিকানা যে মেট্রোপলিটন বা জেলা পুলিশের আওতায়, সেখান থেকে ভেরিফিকেশন হয়ে সার্টিফিকেট ইস্যু হয়।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স করতে কত সময় লাগে?

ঢাকার ভেতরে সাধারণত ৭ কার্যদিবস এবং ঢাকার বাইরে ১০ থেকে ১৫ কার্যদিবস সময় লাগে। যদি আপনার নামে কোনো মামলা না থাকে এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনে কোনো সমস্যা না হয়, তাহলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সার্টিফিকেট পাবেন।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ কুরিয়ারে পাওয়া সম্ভব?

হ্যাঁ। আবেদন ফর্মে কুরিয়ারে সনদ পাওয়ার অপশন উল্লেখ করলে সার্টিফিকেট ডাকযোগে পাঠানো হয়।

সনদে ভুল থাকলে কী করবেন?

সার্টিফিকেটে কোনো তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কমিশনার / পুলিশ সুপার কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে হবে বা পুলিশ হেল্পলাইনে অভিযোগ জানাতে হবে।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট অনলাইনে চেক করার নিয়ম কী?

পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে pcc.police.gov.bd-তে লগইন করুন অথবা মোবাইলে PCC S [Reference Number] লিখে 6969-তে SMS পাঠান। ফিরতি SMS-এ আপনার আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারবেন।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্সের জন্য নাগরিক সনদ কি আবশ্যক?

MRP পাসপোর্টে যদি ঠিকানা না থাকে, তাহলে ঠিকানা প্রমাণের জন্য নাগরিক সনদ বা ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র দিতে হবে। ই-পাসপোর্টে সাধারণত ঠিকানা থাকায় এটি আলাদাভাবে নাও লাগতে পারে।

সৌদি আরবের জন্য পুলিশ ক্লিয়ারেন্সে কোনো বিশেষ নিয়ম আছে?

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য সাধারণ পুলিশ ক্লিয়ারেন্সই প্রযোজ্য। তবে কোনো কোনো দেশ অতিরিক্ত সত্যায়ন (Apostille বা দূতাবাস সত্যায়ন) চাইতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাসের নির্দেশিকা দেখে নেওয়া ভালো।

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট কি ডিজিটাল?

হ্যাঁ। বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে ডিজিটাল পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়, যা QR কোড দিয়ে যাচাই করা সম্ভব।

দরকারি লিংক ও তথ্যসূত্র

সেবালিংক/তথ্য
অনলাইনে আবেদনpcc.police.gov.bd
SMS আপডেটPCC S [Ref No] পাঠান 6969-তে
ব্যাংক চালান কোড১-৭৩০১-০০০১-২৬৮১
আবেদন ফি৫০০ টাকা
সময়কাল (ঢাকায়)প্রায় ৭ কার্যদিবস
সময়কাল (ঢাকার বাইরে)১০–১৫ কার্যদিবস

শেষকথা

পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট পাওয়া এখন অনেক সহজ। pcc.police.gov.bd-তে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন, ফর্ম পূরণ করুন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করুন এবং ৫০০ টাকা ফি পরিশোধ করুন। মূলত পাসপোর্ট ও NID (বা জন্ম নিবন্ধন) এই দুটি ডকুমেন্টই প্রধান। বাকি কাগজপত্র পরিস্থিতিভেদে প্রয়োজন হয়। সঠিকভাবে আবেদন করলে ৭ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে আপনি সার্টিফিকেট হাতে পাবেন।

এই তথ্যগুলো বাংলাদেশ পুলিশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট সরকারি পোর্টালের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। নিয়মে কোনো পরিবর্তন হলে সর্বশেষ তথ্যের জন্য pcc.police.gov.bd ভিজিট করুন।

Leave a Comment