আপনার যে মসজিদের জন্য সরকারি অনুদান পাওয়ার জন্য আবেদন করছেন সেটার জন্য আপনি চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর কিংবা জেলা প্রশাসক অথবা সংসদ সদস্য বরাবর আবেদন করতে পারেন। তবে এছাড়াও আপনি আপনার এলাকার মেম্বর/চেয়ারম্যান বরাবরও দিতে পারে। এমনকি আপনি চাইলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বরাবর আবেদন করতে পারেন। সঠিকভাবে মসজিদের অনুদানের জন্য আবেদন পত্র লেখার নিয়ম নিয়ে আজকে কথা বলব।
মসজিদের অনুদানের জন্য আবেদন পত্রের নমুনা
যদি অফিসিয়াল সিলপ্যাড থাকে তার উপরে আবেদন দিলে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ সহজতর হবে। না থাকলেও সমস্যা নাই। তবে চেষ্টা করবেন। লোগো সম্বলিত নাম ঠিকানা এড করে একটা ফরমাল করার জন্য। অতপর আবেদনের ফর্মুলাটা এপ্লাই করতে পারেন।
তারিখ: [বর্তমান তারিখ]
বরাবর, [প্রাপকের পদবি, যেমন: জেলা প্রশাসক/সংসদ সদস্য]
[জেলা বা এলাকার নাম]
মাধ্যম: উপজেলা নির্বাহী অফিসার, [উপজেলার নাম], [জেলা]।
বিষয়: [মসজিদের নাম] মসজিদের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য অনুদান/আর্থিক সাহায্যের আবেদন।
জনাব, যথাবিহিত সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, [জেলার নাম] জেলার [উপজেলার নাম] উপজেলাধীন [ইউনিয়নের নাম] ইউনিয়নের [গ্রামের নাম] গ্রামে অবস্থিত [মসজিদের নাম] অত্র এলাকার একটি অত্যন্ত পুরাতন ইবাদতখানা, যা [সাল] সালে স্থাপিত হয়েছে। বর্তমানে এই মসজিদে নিয়মিত মুসল্লিরা নামাজ আদায় করছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, মসজিদের বর্তমান অবকাঠামো অত্যন্ত জরাজীর্ণ এবং জায়গার সংকুলান না হওয়ায় অনেক মুসল্লিকে বাইরে নামাজ পড়তে হচ্ছে। বর্তমানে [অভাবে কারণ, যেমন: দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাই] কাজের জন্য প্রায় [টাকার পরিমাণ] টাকা প্রয়োজন, যা এলাকাবাসীর একক প্রচেষ্টায় সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না।
অতএব, মহোদয়ের নিকট আবেদন এই যে, মসজিদের জনস্বার্থ ও ধর্মীয় গুরুত্ব বিবেচনা করে উক্ত কাজ সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক অনুদান বা বরাদ্দের ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এলাকাবাসী আপনার নিকট চিরকৃতজ্ঞ থাকবে।
নিবেদক, মসজিদ কমিটির পক্ষে,
[সভাপতির স্বাক্ষর ও সীল]
[মোবাইল নম্বর]
কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস:
- সত্যায়ন: আবেদনের নিচের অংশে মসজিদ কমিটির সভাপতি বা সম্পাদকের স্বাক্ষর ও সীল থাকা আবশ্যক।
- ফটোকপি: আবেদনের সময় মসজিদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য বা জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সাথে রাখা ভালো।
শেষকথা: আপনার এলাকার মসজিদের অনুদানের জন্য আবেদন পত্র জমা দেওয়ার সময় চেষ্টা করবেন একাধিক কপি করার। এবং যখন জমা দিবেন তখন রিসিভ কপিতে স্বাক্ষর রাখার। কিছু

আমি একজন অডিটর। আমি একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে বাংলাদেশের সরকারি বিধিবিধান, বিভিন্ন শিক্ষামুলক ও বিভিন্ন সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে ৫ বছর ধরে লেখালেখি করছি। সরকারি চাকুরীর সুবাদে বিভিন্ন বিধি বিধান নিয়ে সব সময় স্টাডি করে থাকি। সরকারি সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র প্রায়শই পড়া হয়। তাই নিজের প্রাকটিক্যাল জ্ঞান আপনাদের সাথে শেয়ার করি।