২০২৬ সালে বাংলাদেশে হোলি বা দোলযাত্রা উৎসব পালিত হবে ৩ মার্চ (মঙ্গলবার) দোল পূর্ণিমা এবং হোলিকা দহনের জন্য, এবং ৪ মার্চ (বুধবার) রঙের হোলির জন্য। ঢাকায় পূর্ণিমা তিথি শুরু হবে ২ মার্চ সন্ধ্যা থেকে ৩ মার্চ বিকেল ৫:০৭ পর্যন্ত, এবং হোলিকা দহনের শুভ মুহূর্ত ৬:০২ পিএম থেকে ৮:২৯ পিএম।
হোলি কবে ২০২৬-এ?
হোলি ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমায় পালিত হয়, যা বসন্তের আগমন ঘোষণা করে। বাংলাদেশে এটি দোলযাত্রা নামে পরিচিত।
- দোল পূর্ণিমা ২০২৬ তারিখ এবং সময়: ৩ মার্চ (বাংলা ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২), পূর্ণিমা তিথি ২ মার্চ সন্ধ্যা ৫:৪২ থেকে ৩ মার্চ বিকেল ৪:৫৭ পর্যন্ত।
- হোলি ২০২৬ বাংলা তারিখ: রঙের হোলি ৪ মার্চ (১৯ ফাল্গুন)।
- হোলিকা দহন সময়: ৩ মার্চ সন্ধ্যা ৬:২২ থেকে ৮:৫০ (ভারতীয় সময়, বাংলাদেশে +৩০ মিনিট যোগ করুন)।
বাংলাদেশে এটি সরকারি ছুটি নয়, তবে হিন্দু সম্প্রদায় বাড়ি-পাড়ায় উদযাপন করে।
দোলযাত্রা কত দিন ২০২৬-এ চলবে?
দোলযাত্রা সাধারণত দুই দিনের উৎসব। প্রথম দিন হোলিকা দহন (ছোট হোলি), দ্বিতীয় দিন রঙ খেলা।
- ২ মার্চ: পূর্ণিমা শুরু, প্রস্তুতি।
- ৩ মার্চ: দোলযাত্রা এবং হোলিকা দহন।
- ৪ মার্চ: মূল হোলি, রঙের আনন্দ।
ঢাকা বা সিলেটের মতো এলাকায় মন্দিরে দোলযাত্রা মেলা হয়, যা ১-২ দিন স্থায়ী হতে পারে।
হোলি উৎসবের ইতিহাস এবং তাৎপর্য
হোলি প্রহলাদ-হোলিকার কাহিনী থেকে উদ্ভূত, যেখানে ভক্তির জয় হয় অশুভের উপর। বাংলাদেশে এটি রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা স্মরণ করে বসন্তোৎসব।
এটি শত্রুতা ভুলে একতা বাড়ায়, নতুন শুরুর প্রতীক। বাংলাদেশী হিন্দুরা ঘরে পূজা করে আত্মীয়-স্বজনের সাথে আনন্দ করে।
বাংলাদেশে হোলি কীভাবে পালন করবেন?
বাংলাদেশে সাধারণ উপকরণ দিয়ে সহজে উদযাপন করা যায়। নিরাপত্তা মেনে চলুন।
- প্রস্তুতি: ২ মার্চ থেকে ঘর পরিষ্কার করুন, ফুল-ফল জোগাড় করুন।
- হোলিকা দহন (৩ মার্চ সন্ধ্যা): শুকনো কাঠ জড়ো করে আগুন জ্বালান, প্রহলাদের মন্ত্র জপ করুন।
- দোল পূর্ণিমা পূজা: সকালে গাঁটি বেঁধে রাধা-কৃষ্ণের পূজা, দুধ-মিষ্টি নৈবেদ্য।
- রঙ খেলা (৪ মার্চ): প্রাকৃতিক আবির-রঙ ব্যবহার করুন, গান গেয়ে আনন্দ করুন।
- প্রসাদ: মালপুয়া, পান্তুয়া খান।
টিপস বাংলাদেশীদের জন্য: ঢাকায় ধানমন্ডি বা গুলশানে সম্প্রদায়িক অনুষ্ঠানে যান। রাসায়নিক রঙ এড়ান, চোখে সমস্যা হতে পারে।
হোলি ২০২৬-এ কী খাবেন?
- মালপুয়া: গুড়-আট ভেজে চিনি সিরাপে ডুবান।
- দই-পান্তুয়া: রসগোলা দইয়ে মাখান।
- থান্দাই: বাদাম-দুধের ড্রিঙ্ক।
এগুলো বাস্তব অভিজ্ঞতায় স্বাদু, পরিবারের সাথে তৈরি করুন।
সাধারণ প্রশ্নোত্তর (FAQ)
৩ মার্চ ২০২৬, বাংলা ১৮ ফাল্গুন। পূর্ণিমা তিথি ২ মার্চ সন্ধ্যা থেকে শুরু।
না, সরকারি ছুটির তালিকায় নেই, তবে স্থানীয়ভাবে উদযাপন হয়।
প্রধানত ২ দিন: ৩-৪ মার্চ
ধানমন্ডি লেক, রমনা বটমূলে সম্প্রদায়িক অনুষ্ঠান। স্থানীয় মন্দির চেক করুন।

আমি একজন অডিটর। আমি একজন কন্টেন্ট রাইটার হিসেবে বাংলাদেশের সরকারি বিধিবিধান, বিভিন্ন শিক্ষামুলক ও বিভিন্ন সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে ৫ বছর ধরে লেখালেখি করছি। সরকারি চাকুরীর সুবাদে বিভিন্ন বিধি বিধান নিয়ে সব সময় স্টাডি করে থাকি। সরকারি সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র প্রায়শই পড়া হয়। তাই নিজের প্রাকটিক্যাল জ্ঞান আপনাদের সাথে শেয়ার করি।