সর্বশেষ হালনাগাদ: ২২ অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি) বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পোষ্যদের প্রশিক্ষণ ও আত্মকর্মসংস্থান কর্মসূচির ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ম কিস্তির ৭৫ লক্ষ টাকা উপজেলা পর্যায়ে ছাড় করেছে। একই চিঠিতে বলা হয়েছে, কিছু উপজেলায় আগের ছাড় করা টাকা বিতরণ না করে ব্যাংকে ফেলে রাখা হচ্ছে। এটি অগ্রহণযোগ্য।
| জারিকারী | বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড, বাজারজাতকরণ শাখা |
| স্মারক নম্বর | ৪৭.৬২.০০০০.০০০.৫০৫.১৪.০০০১.২৩.১ |
| তারিখ | ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ / ১২ অক্টোবর ২০২৬ |
| ছাড়ের পরিমাণ | ৭৫.০০ লক্ষ টাকা (২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ম কিস্তি) |
চিঠিতে কী আছে
- টাকা উপজেলা পর্যায়ে ছাড় হয়েছে। কোন উপজেলা কত পেয়েছে, তার তালিকা চিঠির সঙ্গে সংযুক্ত। সেই তালিকা আমি দেখিনি।
- টাকা পাওয়ার প্রাপ্তিস্বীকারপত্র নিম্নস্বাক্ষরকারীর কাছে হার্ডকপিতে এবং ddmarketing@brdb.gov.bd ঠিকানায় সফট কপি পাঠাতে বলা হয়েছে।
- কর্মসূচির সর্বশেষ প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিভিন্ন উপজেলায় আগে বরাদ্দ ও ছাড় করা তহবিল সুফলভোগীদের মাঝে বিতরণ না করে ব্যাংকে অলস ফেলে রাখা হচ্ছে।
- চিঠিতে এটিকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য’ বলা হয়েছে এবং চলতি অর্থবছরের বাকি মাসগুলোতে পরিকল্পনা অনুযায়ী উপজেলার পুরো ঋণ তহবিল বিতরণের উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
কর্মসূচিটি কী
বিআরডিবির বিবরণ অনুযায়ী এটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তহবিলে বিআরডিবির বাস্তবায়িত কর্মসূচি। এতে মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পোষ্যদের আয় বৃদ্ধিমূলক কাজের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ এবং ঋণ সহায়তা দেওয়া হয়। ঋণের শর্ত, সীমা ও আবেদনের যোগ্যতা এই চিঠিতে নেই, তাই আমি তা লিখছি না।
সুফলভোগী হলে কী করবেন
আপনার উপজেলার বিআরডিবি কার্যালয়ে গিয়ে জানুন, এ বছরের ঋণ তহবিল থেকে কবে ও কীভাবে আবেদন নেওয়া হচ্ছে এবং কোন কাগজ লাগবে। চিঠি অনুযায়ী পুরো তহবিল বিতরণের তাগিদ থাকায় আবেদনের সুযোগ আগের চেয়ে সহজ হতে পারে, তবে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না।
প্রশ্নোত্তর
ছাড় করা টাকা কি সরাসরি সুফলভোগীর হাতে যায়?
না। টাকা উপজেলা পর্যায়ে ছাড় হয়, সেখান থেকে ঋণ হিসেবে সুফলভোগীদের বিতরণ হয়।
চিঠির মূল নির্দেশ কী?
পুরো ঋণ তহবিল চলতি অর্থবছরের বাকি মাসগুলোতে যথাযথভাবে বিতরণ করা এবং ব্যাংকে অলস ফেলে না রাখা।
দায়মুক্তি: এটি চিঠির দৃশ্যমান অংশ ও বিআরডিবির প্রকাশিত বিবরণের সারসংক্ষেপ। শর্ত ও আবেদনের নিয়ম জানতে নিজ উপজেলার বিআরডিবি কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন।

আমি একজন অডিটর এবং বিগত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের সরকারি বিধিবিধান, আর্থিক নিয়মাবলী ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংক্রান্ত জটিল বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত চর্চা ও লেখালেখি করছি। হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী এবং সরকারি চাকুরির সুবাদে প্রশাসনিক নিয়ামাবলী খুব গভীরভাবে বোঝার সুযোগ হয়েছে। আমার লক্ষ্য হলো এই জটিল বিষয়গুলোকে সাধারণের কাছে সহজবোধ্য করে উপস্থাপন করা।
