৯ম পে স্কেল আপডেট: গ্রেড সংখ্যা ও কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সর্বশেষ তথ্য

৯ম পে কমিশন নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে অনেক প্রত্যাশা থাকলেও, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত মিটিং থেকে খুব একটা আশাব্যঞ্জক খবর আসেনি। ভিডিওর মূল তথ্যগুলো নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:

১. গ্রেড সংখ্যা চূড়ান্ত (২০টি গ্রেডেই থাকছে)

সবচেয়ে বড় আপডেট হলো, ৯ম পে স্কেলেও গ্রেড সংখ্যা আগের মতোই ২০টি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। যদিও সরকারি চাকরিজীবীদের দাবি ছিল গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১৪ থেকে ১৬টিতে আনা, কিন্তু কমিশন ৩টি ভিন্ন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পুরাতন নিয়মই বহাল রেখেছে।

২. সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে অনিশ্চয়তা

সর্বনিম্ন বেতন কত হবে, সে বিষয়ে কমিশন এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কমিশনের চেয়ারম্যান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার সাথে আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে। পরবর্তী মিটিং ২১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

৩. পে কমিশনের সদস্যের পদত্যাগ

আজকের মিটিংয়ের একটি বড় ঘটনা ছিল কমিশনের একজন সদস্যের (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক) পদত্যাগ। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য আলাদা কোনো বেতন কাঠামো বা সুপারিশমালা গ্রহণ না করায় তিনি অসন্তুষ্ট হয়ে পদত্যাগ করেছেন।

৪. অন্যান্য আলোচনা

গ্রেড ইস্যু ছাড়াও আজকের সভায় পেনশন, চিকিৎসা ভাতা এবং বিভিন্ন ধরণের ভাতার বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতনের পার্থক্য বা রেশিও নিয়ে এখনও মতভেদ রয়ে গেছে।

আপনার মনে থাকা সাধারণ প্রশ্ন

প্রশ্ন: ৯ম পে স্কেল কি বৈষম্যহীন হবে?

উত্তর: ভিডিওর ভাষ্যমতে, ২০টি গ্রেডই বহাল রাখায় বৈষম্য কমার সম্ভাবনা কমছে। বিশেষ করে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে হতাশা তৈরি হতে পারে।

প্রশ্ন: সর্বনিম্ন বেতন ২১,০০০ টাকা হওয়ার খবর কি সত্যি?

উত্তর: ২১,০০০ টাকা সর্বনিম্ন বেতন হওয়ার আলোচনা থাকলেও কমিশন এখনও এটি চূড়ান্ত করেনি। ২১ জানুয়ারির মিটিংয়ে এই বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসার সম্ভাবনা রয়েছে।

শেষকথা

৯ম পে স্কেল নিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষা থাকলেও কমিশনের অভ্যন্তরীণ মতভেদ এবং সিদ্ধান্তহীনতার কারণে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দিতে দেরি হচ্ছে। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আগামী ২১ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মিটিংটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment