সর্বশেষ হালনাগাদ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬
এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল-কলেজে চাকরি নিলে মাসে কত টাকা হাতে আসে, এ প্রশ্ন নতুন ও পুরোনো সবাই করেন। এখানে প্রচলিত বেতন কাঠামো আর প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য মিলিয়ে সহজ হিসাব দিলাম। এমপিওভুক্তদের জন্য নতুন জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ এখনো আলাদা আদেশের অপেক্ষায়, তাই নিচের মূল বেতন এখনকার (২০১৫ স্কেলের) হিসাবে।
মূল বেতন (যোগদানকালে)
| পদ | গ্রেড | শুরুর মূল বেতন |
|---|---|---|
| সহকারী শিক্ষক (প্রশিক্ষণবিহীন) | ১১তম | ৳ ১২,৫০০ |
| সহকারী শিক্ষক (বিএডসহ) | ১০ম | ৳ ১৬,০০০ |
| অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা কর্মী, আয়া | ২০তম | ৳ ৮,২৫০ |
ভাতা
- বাড়ি ভাড়া: প্রতিবেদন অনুযায়ী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে মূল বেতনের ১৫%, সর্বনিম্ন ২,০০০ টাকা। আগে ছিল মাসে ১,০০০ টাকা।
- চিকিৎসা ভাতা: মাসে ৫০০ টাকা।
- উৎসব ভাতা: বছরে দুটি, প্রতিটি মূল বেতনের ৫০%।
- বৈশাখী ভাতা: বছরে ২০%।
একটি হিসাব (মাসিক, উৎসব ও বৈশাখী ভাতা বাদে)
| পদ | মূল বেতন | বাড়ি ভাড়া | চিকিৎসা | মোট |
|---|---|---|---|---|
| সহকারী শিক্ষক (১১তম) | ১২,৫০০ | ২,০০০ (১৫% হলে ১,৮৭৫, তাই সর্বনিম্ন ধরা) | ৫০০ | ১৫,০০০ |
| বিএডধারী (১০ম) | ১৬,০০০ | ২,৪০০ | ৫০০ | ১৮,৯০০ |
| অফিস সহায়ক (২০তম) | ৮,২৫০ | ২,০০০ (সর্বনিম্ন) | ৫০০ | ১০,৭৫০ |
অঙ্কগুলো আমার নিজের হিসাব, উপরের হার ধরে। বেতন থেকে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টের মাসিক কর্তন বাদ যাবে। কিছু প্রতিবেদনে ‘বিশেষ সুবিধা’র কথাও এসেছে, তবে ২০২৬ স্কেলে এমপিওভুক্তদের জন্য তা কী হবে, আদেশ ছাড়া নিশ্চিত নয়।
নিজের গ্রেড ও বেতন দিয়ে হিসাব করতে ব্যবহার করুন এমপিও শিক্ষক বেতন ক্যালকুলেটর।
প্রশ্নোত্তর
বিএড থাকলে বেতন কত বেশি?
বিএডধারী সহকারী শিক্ষক ১০ম গ্রেডে ১৬,০০০ টাকায় শুরু করেন, প্রশিক্ষণবিহীনেরা ১১তম গ্রেডে ১২,৫০০ টাকায়।
নতুন পে স্কেলে কী বাড়বে?
এমপিওভুক্তদের আদেশ এলে জানা যাবে। সরকারি কর্মচারীদের স্কেল নিয়ে পড়ুন জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ গাইড।
দায়মুক্তি: হার ও পদভিত্তিক বেতন প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে নেওয়া। সিদ্ধান্তের আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাউশির সর্বশেষ আদেশ যাচাই করুন।

আমি একজন অডিটর এবং বিগত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের সরকারি বিধিবিধান, আর্থিক নিয়মাবলী ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংক্রান্ত জটিল বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত চর্চা ও লেখালেখি করছি। হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী এবং সরকারি চাকুরির সুবাদে প্রশাসনিক নিয়ামাবলী খুব গভীরভাবে বোঝার সুযোগ হয়েছে। আমার লক্ষ্য হলো এই জটিল বিষয়গুলোকে সাধারণের কাছে সহজবোধ্য করে উপস্থাপন করা।
