মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার কিংবা বাণিজ্যিক যানবাহনের কাগজপত্র সঠিক সময়ে নবায়ন করতে না পারলে কয়েক বছরের মাথায় মূল ফি-এর চেয়ে জরিমানার (Late Fine) অংকই অনেক সময় দ্বিগুণ বা তিনগুণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে দীর্ঘদিন গাড়ি গ্যারেজে পড়ে থাকা, মালিকের অসুস্থতা বা প্রবাসে অবস্থানের কারণে লক্ষ লক্ষ যানবাহনের ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন ও ড্রাইভিং লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে পড়ে। এই বিপুল সংখ্যক যানবাহনকে আইনি কাঠামোর ভেতরে আনতে সরকার ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (BRTA) নির্দিষ্ট মেয়াদে ‘বিআরটিএ জরিমানা মওকুফ ২০২৬’ (BRTA Fine Waiver 2026) সুবিধা প্রদান করে থাকে।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রজ্ঞাপনের আলোকে কোন ৪টি কাগজের ওপর শতভাগ জরিমানা মওকুফ পাওয়া যায়, জরিমানা মওকুফ হলে ঠিক কোন কোন টাকা জমা দিতে হয় (এবং কোন টাকা মাফ হয় না), বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে (BSP) অনলাইনে ফি পরিশোধের ধাপ এবং জরিমানা মওকুফের সুযোগ না নিলে কী শাস্তির মুখে পড়তে হবে—তার সম্পূর্ণ ও নির্ভুল বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো।
একনজরে বিআরটিএ জরিমানা মওকুফ ২০২৬: মূল তথ্য
- প্রজ্ঞাপন জারি কর্তৃপক্ষ: সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ (সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়) এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
- আইনি ভিত্তি: সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা ১২২ এবং মোটরযান কর আইনের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার জনস্বার্থে প্রজ্ঞাপন (SRO) জারির মাধ্যমে এই বিলম্ব জরিমানা মওকুফ করে।
- আওতাভুক্ত ৪টি সেবা: মোটরযানের (১) ফিটনেস সনদ, (২) ট্যাক্স টোকেন (মোটরযান কর), (৩) রুট পারমিট এবং (৪) ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন।
- মওকুফের ধরন: নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাগজপত্র নবায়ন করলে বকেয়া সময়ের জন্য আরোপিত ১০০% বিলম্ব ফি বা জরিমানা (Fine / Late Fee) সম্পূর্ণ মওকুফ থাকে; কেবল বকেয়া ও চলতি বছরের মূল কর, সরকারি মূল ফি এবং ১৫% ভ্যাট পরিশোধ করতে হয়।
১. বিআরটিএ জরিমানা মওকুফের আওতায় কোন কোন কাগজ পড়ে?
অনেকেই মনে করেন বিআরটিএ জরিমানা মওকুফ মানে বোধহয় গাড়ির বকেয়া সব বছরের ট্যাক্স মাফ হয়ে যাওয়া—যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। জরিমানা মওকুফ প্রজ্ঞাপনের আওতায় নিচের ৪টি নির্দিষ্ট খাতের ‘অতিরিক্ত জরিমানা বা পেনাল্টি’ মওকুফ করা হয়:
| কাগজের নাম | সাধারণ নিয়মে জরিমানা কীভাবে হিসাব হয় | জরিমানা মওকুফ প্রজ্ঞাপনে যা ছাড় পাওয়া যায় |
|---|---|---|
| ১. ফিটনেস সনদ (Fitness Certificate) | মেয়াদ শেষ হওয়ার পর প্রতি বছর বা তার অংশের জন্য নির্ধারিত হারে জরিমানা যোগ হয়। | বকেয়া সময়ের সম্পূর্ণ জরিমানা (Fine) শতভাগ মওকুফ; শুধু বকেয়া ও চলতি বছরের মূল ফিটনেস পরিদর্শন ফি ও ভ্যাট দিতে হয়। |
| ২. ট্যাক্স টোকেন (Tax Token) | মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে মাসিক ও বার্ষিক হারে মোটরযান করের ওপর অতিরিক্ত জরিমানা বা সারচার্জ আরোপিত হয়। | ট্যাক্স টোকেনের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত জরিমানা/সারচার্জ মওকুফ; শুধু বকেয়া বছরগুলোর মূল কর ও অগ্রিম আয়কর (AIT) দিতে হয়। |
| ৩. রুট পারমিট (Route Permit) | বাণিজ্যিক যানবাহনের (বাস, ট্রাক, পিকআপ, সিএনজি) রুট পারমিট মেয়াদোত্তীর্ণ হলে বার্ষিক জরিমানা যুক্ত হয়। | বকেয়া সময়ের জরিমানা সম্পূর্ণ মওকুফ; শুধু নির্ধারিত মূল রুট পারমিট নবায়ন ফি প্রযোজ্য। |
| ৪. ড্রাইভিং লাইসেন্স (Driving License) | পেশাদার (৫ বছর মেয়াদ) ও অপেশাদার (১০ বছর মেয়াদ) লাইসেন্স মেয়াদোত্তীর্ণ হলে প্রতি বছর বিলম্ব ফি যুক্ত হয়। | মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রতি বছরের বিলম্ব ফি (Late Fee) মওকুফ; শুধু মূল নবায়ন ফি দিয়ে লাইসেন্স হালনাগাদ করা যায়। |
২. জরিমানা মওকুফ হলেও কোন কোন টাকা বাধ্যতামূলকভাবে দিতে হবে?
ব্যাংকে বা বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে (BSP) টাকা জমা দেওয়ার সময় হিসাবের গরমিল এড়াতে নিচের বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জেনে রাখুন। জরিমানা মওকুফ চলাকালীন আপনাকে শুধুমাত্র নিচের ৩টি খাতের টাকা দিতে হবে:
- বিগত বকেয়া বছরগুলোর মূল ফি ও কর (Principal Tax & Fee): ধরুন আপনার মোটরসাইকেল বা প্রাইভেট কারের ট্যাক্স টোকেন ও ফিটনেস ২০২৩ সাল থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ। ২০২৬ সালে নবায়ন করতে গেলে ২০২৩, ২০২৪, ২০২৫ এবং ২০২৬ সালের মূল সরকারি ফি ও মূল কর আপনাকে পুরোপুরি পরিশোধ করতে হবে। শুধু এই ৩ বছর দেরি করার কারণে যে অতিরিক্ত জরিমানা (Fine) আসত, সেই টাকাটুকু মওকুফ হবে।
- সরকারি ভ্যাট (১৫% VAT): মূল সরকারি ফি-এর ওপর প্রযোজ্য ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) যথারীতি পরিশোধ করতে হবে (জরিমানার অংশ না থাকায় ভ্যাটের পরিমাণও আনুপাতিক হারে কমে যায়)।
- অগ্রিম আয়কর (AIT – প্রযোজ্য ক্ষেত্রে): প্রাইভেট কার, জিপ (SUV), মাইক্রোবাস বা বাণিজ্যিক যানবাহনের ক্ষেত্রে আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী নির্ধারিত উৎস কর বা অগ্রিম আয়কর (Advance Income Tax) পরিশোধ করতে হবে। উল্লেখ্য, মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেনে কোনো অগ্রিম আয়কর (AIT) লাগে না।
৩. কোন ক্ষেত্রে বিআরটিএ জরিমানা মওকুফ প্রযোজ্য নয়?
সব ধরনের মোটরযান সংক্রান্ত জরিমানা এই প্রজ্ঞাপনের আওতায় পড়ে না। নিচের ক্ষেত্রগুলোতে জরিমানা মওকুফ সুবিধা পাওয়া যায় না:
- ট্রাফিক পুলিশের মামলা (e-Traffic Prosecution): সড়কে ট্রাফিক আইন অমান্য করায় পুলিশ যে মামলা বা জরিমানার স্লিপ দেয়, তা বিআরটিএ জরিমানা মওকুফের আওতাভুক্ত নয়।
- নতুন গাড়ি রেজিস্ট্রেশন ও মালিকানা বদলি: কেবল মেয়াদোত্তীর্ণ ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেই এই ছাড় প্রযোজ্য।
- অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল (Economic Life) উত্তীর্ণ যানবাহন: বাসের ক্ষেত্রে ২০ বছর এবং ট্রাক/কাভার্ড ভ্যানের ক্ষেত্রে ২৫ বছর বয়স পেরিয়ে গেলে সেগুলো মোটরযান স্ক্র্যাপ নীতিমালা ২০২৬-এর আওতায় বাতিলযোগ্য হিসেবে গণ্য হয়; সেগুলোর ফিটনেস নবায়ন করা যায় না।
৪. অনলাইনে বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (BSP) থেকে জরিমানা ছাড়া ফি জমা ও নবায়নের নিয়ম
এখন আর কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনি ঘরে বসেই বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টাল (BSP) ব্যবহার করে আপনার গাড়ির বকেয়া হিসাব যাচাই ও অনলাইনে টাকা জমা দিতে পারবেন:
- BSP পোর্টালে লগইন: প্রথমে বিআরটিএ-এর অফিশিয়াল সার্ভিস পোর্টাল
bsp.brta.gov.bd-এ প্রবেশ করে আপনার মোবাইল নম্বর ও জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) দিয়ে তৈরি একাউন্টে লগইন করুন। - গাড়ি বা লাইসেন্স সংযুক্তকরণ: ড্যাশবোর্ডে গিয়ে আপনার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চেসিস/ইঞ্জিন নম্বরের শেষ ৪ সংখ্যা দিয়ে গাড়িটি প্রোফাইলে যুক্ত করুন।
- ফি ক্যালকুলেশন ও জরিমানা যাচাই: ‘ফি পরিশোধ’ অপশনে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বকেয়া বছরের মূল কর ও ফি প্রদর্শিত হবে। সরকার ঘোষিত জরিমানা মওকুফ সময়সীমা চালু থাকলে ‘Late Fee / Fine’ ঘরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে
0.00টাকা দেখাবে। - অনলাইন পেমেন্ট ও ই-ট্যাক্স টোকেন: বিকাশ, নগদ, রকেট, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড বা নির্ধারিত ব্যাংকের মাধ্যমে অনলাইনে ফি পরিশোধ করুন। ট্যাক্স টোকেনের ক্ষেত্রে ফি জমা দেওয়ার সাথে সাথেই ঘরে বসে ই-ট্যাক্স টোকেন প্রিন্ট করে নিতে পারবেন। বিস্তারিত নিয়ম দেখুন: অনলাইনে বিআরটিএ ই-ট্যাক্স টোকেন (e-Tax Token) ডাউনলোড ও যাচাই করার নিয়ম।
- সশরীরে গাড়ি হাজির করে ফিটনেস নবায়ন: ফিটনেস নবায়নের ক্ষেত্রে অনলাইনে ফি জমা দিয়ে অ্যাপয়েন্টমেন্ট (Appointment) স্লিপ নিন এবং নির্ধারিত তারিখে সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ সার্কেল অফিসে গাড়িটি সশরীরে পরিদর্শনের জন্য হাজির করে ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করুন।
- ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নে ডোপ টেস্ট: পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রে আবেদনের সাথে সরকারি নির্ধারিত হাসপাতাল থেকে সংগৃহীত ডোপ টেস্ট সনদ (Dope Test Certificate) ও মেডিকেল ফিটনেস ফরম আপলোড করতে ভুলবেন না।
৫. সময়মতো কাগজপত্র নবায়ন না করলে সড়ক পরিবহন আইনে কী শাস্তি?
বিআরটিএ যখনই জরিমানা মওকুফের প্রজ্ঞাপন দেয়, সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে যে নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর খেলাপি যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর ভ্রাম্যমাণ আদালত (Mobile Court) ও ট্রাফিক অভিযান পরিচালনা করা হবে। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ কাগজপত্রের শাস্তি অত্যন্ত কঠোর:
- ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালানো (ধারা ৭৫): অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ২৫,০০০ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড।
- ট্যাক্স টোকেন ছাড়া বা মেয়াদোত্তীর্ণ ট্যাক্স টোকেনে গাড়ি চালানো (ধারা ৭৬): অনধিক ১০,০০০ টাকা জরিমানা।
- রুট পারমিট ছাড়া বাণিজ্যিক গাড়ি চালানো (ধারা ৭৭): অনধিক ৩ মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ২০,০০০ টাকা জরিমানা।
- নবায়নবিহীন বা মেয়াদোত্তীর্ণ ড্রাইভিং লাইসেন্স (ধারা ৭২): অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ড বা অনধিক ২৫,০০০ টাকা জরিমানা।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর (FAQ)
প্রশ্ন ১: বিআরটিএ জরিমানা মওকুফ ২০২৬ প্রজ্ঞাপন এখন চালু আছে কি না তা কীভাবে নিশ্চিত হব?
উত্তর: সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ নির্দিষ্ট মেয়াদে (যেমন—৩ মাস বা ৬ মাসের জন্য) জরিমানা মওকুফের প্রজ্ঞাপন জারি করে। বর্তমানে ছাড় সচল আছে কি না তা জানতে সরাসরি bsp.brta.gov.bd পোর্টালে আপনার গাড়ির নম্বর দিয়ে ফি চেক করুন (জরিমানার ঘরে 0 দেখালে মওকুফ সচল রয়েছে) অথবা বিআরটিএ কল সেন্টার ১৬১০৭ নম্বরে কল করুন।
প্রশ্ন ২: জরিমানা মওকুফ হলে কি বিগত বছরগুলোর মূল ট্যাক্স বা ফিটনেস ফি মাফ পাওয়া যায়?
উত্তর: না। সরকারের মূল রাজস্ব (Principal Tax & Fee) এবং ১৫% ভ্যাট কখনোই মওকুফ হয় না। শুধুমাত্র নির্ধারিত সময়ে ফি জমা না দেওয়ার কারণে যে অতিরিক্ত জরিমানা (Fine / Late Penalty) যোগ হয়েছিল, সেটি শতভাগ মওকুফ হয়।
প্রশ্ন ৩: মোটরসাইকেলের ১০ বছরের ট্যাক্স টোকেন করা থাকলে কি আর নবায়ন করতে হয়?
উত্তর: ১০ বছর মেয়াদী (আজীবন) ট্যাক্স টোকেন করা থাকলে ১০ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে পুনরায় নবায়নের প্রয়োজন নেই। তবে যারা ২ বছর মেয়াদী ট্যাক্স টোকেন করেছিলেন এবং মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, তারা জরিমানা মওকুফ সুবিধায় বকেয়া পরিশোধ করে নবায়ন করতে পারবেন।
প্রশ্ন ৪: ফিটনেস জরিমানা মওকুফ পেতে কি গাড়ি বিআরটিএ অফিসে নিয়ে যেতে হবে?
উত্তর: হ্যাঁ। ট্যাক্স টোকেনের টাকা অনলাইনে জমা দিয়ে ঘরে বসেই ই-ট্যাক্স টোকেন নেওয়া গেলেও, ফিটনেস সনদ নবায়নের ক্ষেত্রে অনলাইনে ফি জমার পর অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে গাড়িটি সশরীরে বিআরটিএ সার্কেল অফিসে পরিদর্শনের জন্য হাজির করা বাধ্যতামূলক।
সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট ও গাইড
- অনলাইনে বিআরটিএ ই-ট্যাক্স টোকেন (e-Tax Token) ডাউনলোড ও যাচাই করার নিয়ম
- মোটরযান স্ক্র্যাপ নীতিমালা ২০২৬: ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ গাড়ি বাতিল এবং আর্থিক সুবিধার নতুন নিয়ম
- ডোপ টেস্ট বিধিমালা ২০২৬: সরকারি চাকরি ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের নতুন নিয়ম
- আয়কর আইন ২০২৩ PDF ও গেজেট: গাড়ির অগ্রিম আয়কর (AIT) ও করহার

আমি একজন অডিটর এবং বিগত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের সরকারি বিধিবিধান, আর্থিক নিয়মাবলী ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংক্রান্ত জটিল বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত চর্চা ও লেখালেখি করছি। হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী এবং সরকারি চাকুরির সুবাদে প্রশাসনিক নিয়ামাবলী খুব গভীরভাবে বোঝার সুযোগ হয়েছে। আমার লক্ষ্য হলো এই জটিল বিষয়গুলোকে সাধারণের কাছে সহজবোধ্য করে উপস্থাপন করা।

1 thought on “বিআরটিএ জরিমানা মওকুফ ২০২৬: ফিটনেস, ট্যাক্স টোকেন, রুট পারমিট ও ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিলম্ব ফি ছাড়ের নিয়ম”