বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকার দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে নতুন পে-স্কেল ঘোষণার পরিবর্তে বিদ্যমান কাঠামো সংস্কারের দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। বিভিন্ন বিশ্বস্ত সংবাদ মাধ্যম অনুযায়ী পে-স্কেল সংশোধনের কাজ চলমান থাকায় মহার্ঘ ভাতার নতুন হার ঘোষণা সাময়িকভাবে স্থগিত রয়েছে।
প্রস্তাবিত ২০% মহার্ঘ ভাতা ও বাস্তবায়ন সময়সীমা
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের জন্য সর্বোচ্চ ২০% মহার্ঘ ভাতার একটি জোরালো প্রস্তাব ছিল। সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী এটি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত কোনো দাপ্তরিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়নি।
বর্তমান ও প্রস্তাবিত ভাতার তুলনা
| বিষয় | বর্তমান অবস্থা | প্রস্তাবিত/সম্ভাব্য |
| ভাতার হার | বিদ্যমান স্কেল অনুযায়ী | ২০% (সর্বোচ্চ) |
| কার্যকরের তারিখ | চলমান | জুলাই ২০২৬ (সম্ভাব্য) |
| ঘোষণার মাধ্যম | ২০১৫ পে-স্কেল | নতুন প্রজ্ঞাপন বা বাজেট |
২০২৬ সালে কি নতুন পে-স্কেল আসবে?
সরকার পে-স্কেল সংস্কারের কাজ করছে, তবে পূর্ণাঙ্গ নতুন পে-স্কেলের চেয়ে মহার্ঘ ভাতা বা বিশেষ ইনক্রিমেন্ট দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
মহার্ঘ ভাতা বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন কবে হতে পারে?
ধারণা করা হচ্ছে, আগামী বাজেট ঘোষণার আগে বা বাজেট অধিবেশনে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য মহার্ঘ ভাতার চেয়ে পেস্কেল এখন সময়ের দাবি।
ডিসক্লেইমার ও সোর্স : এই আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে জাতীয় দৈনিকগুলোর আলোকে। তবে মহার্ঘ ভাতার প্রজ্ঞাপন পেলে সাথে সাথে এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

আমি একজন অডিটর এবং বিগত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের সরকারি বিধিবিধান, আর্থিক নিয়মাবলী ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংক্রান্ত জটিল বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত চর্চা ও লেখালেখি করছি। হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী এবং সরকারি চাকুরির সুবাদে প্রশাসনিক নিয়ামাবলী খুব গভীরভাবে বোঝার সুযোগ হয়েছে। আমার লক্ষ্য হলো এই জটিল বিষয়গুলোকে সাধারণের কাছে সহজবোধ্য করে উপস্থাপন করা।