সর্বশেষ হালনাগাদ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬
সরকারি কর্মচারীদের হোয়াটসঅ্যাপ ও ফেসবুক গ্রুপে একটি বার্তা ঘুরছে। সংক্ষেপে সেখানে বলা হয়েছে:
এখন পর্যন্ত কতটা নিশ্চিত?
- লিখিত আদেশ পাইনি। অর্থ বিভাগ বা হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের কোনো পরিপত্র, স্মারক বা সংবাদ আমি খুঁজে পাইনি।
- বার্তাটি মৌখিক সিদ্ধান্তের বরাত দিচ্ছে। কে, কখন, কাকে বলেছেন, তা বার্তায় নেই।
- কোন এসআরও বোঝানো হয়েছে, তাও পরিষ্কার নয়। জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর গেজেট (এস.আর.ও. ৩৪৭-আইন/২০২৬) সেপ্টেম্বরেই প্রকাশিত হয়েছে। বার্তায় সম্ভবত জিপিএফ-সংক্রান্ত আলাদা কোনো আদেশের কথা বলা হচ্ছে।
তাই বার্তাটিকে আমি নিশ্চিত তথ্য হিসেবে নিচ্ছি না। লিখিত আদেশ এলে এই পাতা হালনাগাদ করব।
আপনি কী করবেন
- শুধু বার্তার ভিত্তিতে বিল বাতিল করবেন না। বাতিল ও পুনরায় দাখিলে বেতন দেরি হতে পারে।
- লিখিত নির্দেশ চান। আপনার ডিডিও ও হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে জিপিএফ চাঁদা বাড়ানোর বিষয়ে তাঁদের কাছে কোনো লিখিত নির্দেশ আছে কি না জানুন। প্রয়োজনে ফোনে নয়, লিখিতভাবে জিজ্ঞেস করুন।
- আপনার আবেদনের কপি রাখুন। চাঁদা বাড়ানোর আবেদন, তার তারিখ ও অনুমোদনের তথ্য সংরক্ষণ করুন।
- এই মাসের বিল দাখিলের আগে যাচাই করে নিন আপনার অফিসে কোন অঙ্ক ধরে বিল হচ্ছে।
জিপিএফ নিয়ে সংশ্লিষ্ট লেখা
- আইবাস++-এ জিপিএফ সাবলেজার সংশোধন (সিজিএ পত্র)
- জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ গাইড
- পে ফিক্সেশন নিয়ে ঝিনাইদহ হিসাবরক্ষণ অফিসের সার্কুলার
প্রশ্নোত্তর
জিপিএফ চাঁদা বাড়ানো কি এখন বন্ধ?
একটি অযাচাইকৃত বার্তায় তা-ই বলা হচ্ছে। সরকারি লিখিত আদেশ আমি পাইনি।
বিল দাখিল করে ফেললে কী করব?
বাতিল করার আগে হিসাবরক্ষণ অফিস থেকে লিখিত নির্দেশ নিন।
দায়মুক্তি: এই লেখা একটি প্রচারিত বার্তার ভিত্তিতে, মূল আদেশ আমি দেখিনি। সিদ্ধান্তের আগে অর্থ বিভাগ ও আপনার হিসাবরক্ষণ অফিসের নির্দেশনা যাচাই করুন।

আমি একজন অডিটর এবং বিগত পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের সরকারি বিধিবিধান, আর্থিক নিয়মাবলী ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট সংক্রান্ত জটিল বিষয়গুলো নিয়ে নিয়মিত চর্চা ও লেখালেখি করছি। হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী এবং সরকারি চাকুরির সুবাদে প্রশাসনিক নিয়ামাবলী খুব গভীরভাবে বোঝার সুযোগ হয়েছে। আমার লক্ষ্য হলো এই জটিল বিষয়গুলোকে সাধারণের কাছে সহজবোধ্য করে উপস্থাপন করা।
