সরকারি কর্মচারী ও নাগরিকদের জন্য বিধি, অফিস আদেশ, পে-স্কেল, পেনশন ও চাকরিসংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য

BD Service Rules

আপনার প্রশ্নের উত্তর খুঁজুন, সহজভাবে

চাকরির বিধি, বেতন-ভাতা, পে-ফিক্সেশন ও সরকারি সেবার প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজুন।

দপ্তরী কাম প্রহরী নতুন খবর ২০২৬: বেতন-ভাতা, উৎসব বোনাস, কর্মঘণ্টা ও চাকরি স্থায়ীকরণের সর্বশেষ আপডেট

সারাদেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে কর্মরত প্রায় ৩৭ হাজারের বেশি ‘দপ্তরী কাম প্রহরী’ (Daptari cum Prohori) পদের কর্মীদের জীবনযাত্রা, বেতন-ভাতা ও চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে বছরজুড়েই নানা আলোচনা চলে। প্রতিদিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও ইউটিউবে বিভিন্ন চটকদার শিরোনামে দাবি করা হয় যে—“আগামী মাসেই দপ্তরীদের চাকরি রাজস্ব খাতে স্থায়ী হচ্ছে” কিংবা “জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর ২০তম গ্রেডে দপ্তরীদের ফিক্সেশন শুরু হয়েছে”।

কিন্তু গুজব বা অতিরঞ্জিত খবরের বাইরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরীদের নিয়ে ২০২৬ সালের প্রকৃত ও দালিলিক খবর কী? অর্থ মন্ত্রণালয়ের নতুন আউটসোর্সিং নীতিমালা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ চিঠি (স্মারক নং-১৮৮), উৎসব ও বৈশাখী ভাতা প্রাপ্তি, ২৪ ঘণ্টা ডিউটির অমানবিক শর্ত সংস্কার এবং হাইকোর্টে চলমান রিট ও চাকরি স্থায়ীকরণের সর্বশেষ বাস্তব অবস্থা নিচে বিস্তারিত ও নির্ভুলভাবে তুলে ধরা হলো।

একনজরে দপ্তরী কাম প্রহরী নতুন খবর ২০২৬: মূল আপডেটসমূহ

  • মাসিক বেতন (সেবামূল্য) বৃদ্ধি: অর্থ বিভাগের নতুন আউটসোর্সিং সেবাগ্রহণ নীতিমালার ক্যাটাগরি-৫ অনুযায়ী দপ্তরী কাম প্রহরীদের মাসিক সেবামূল্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ১৬,৬৭৩ টাকা, সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ১৭,১৭৫ টাকা এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ১৮,১৮০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
  • উৎসব ও নববর্ষ ভাতার দালিলিক অগ্রগতি: বছরে ২টি উৎসব ভাতা (প্রতিটি মাসিক সেবামূল্যের ৫০%) এবং পহেলা বৈশাখে ১টি নববর্ষ ভাতা (মাসিক সেবামূল্যের ২০%) প্রদানের বিষয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় অর্থ বিভাগের সাথে আনুষ্ঠানিক পত্রালাপ (স্মারক নং: ৩৮.০০.০০০০.০০০.০০৬.০২.০০০১.২৫-১৮৮) সম্পন্ন করেছে।
  • চাকরি স্থায়ীকরণের প্রকৃত অবস্থা: দপ্তরী কাম প্রহরী পদটি এখনো আউটসোর্সিং ও চুক্তিভিত্তিক পদ হিসেবেই বহাল রয়েছে। পদটি রাজস্ব খাতে স্থানান্তর বা সরাসরি সরকারি করার বিষয়ে সরকার বা মন্ত্রণালয় থেকে এখনো কোনো চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়নি।
  • নতুন মানবিক ও আর্থিক সুবিধা: বছরে ১৫ দিন সবেতন ছুটি, বছরে ২ সেট ইউনিফর্ম, সরাসরি নিজ ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং (MFS) হিসাবে বেতন প্রাপ্তি এবং সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তির সুযোগ যুক্ত হয়েছে।

১. দপ্তরী কাম প্রহরীদের বর্তমান বেতন কত? (২০২৬ সালের সেবামূল্য চার্ট)

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরীরা সরাসরি জাতীয় বেতনস্কেলের আওতায় মূল বেতন পান না; তারা অর্থ মন্ত্রণালয়ের ‘আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ায় সেবা গ্রহণ নীতিমালা’-এর আওতায় মাসিক এককালীন সেবামূল্য (Service Value) পেয়ে থাকেন। তবে এই সেবামূল্য নির্ধারণের সময় ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন, বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার গড় হিসাব বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

ক্যাটাগরি-৫ (নিরাপত্তা প্রহরী, পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও দপ্তরী পর্যায়ের সেবা)-এর আওতায় এলাকাভেদে বর্তমান মাসিক সেবামূল্য ও বার্ষিক ভাতার হিসাব নিচে দেওয়া হলো:

কর্মস্থলের এলাকা (অঞ্চল)মাসিক নির্ধারিত সেবামূল্যপ্রতি ঈদে উৎসব ভাতা (৫০% হারে)বৈশাখী / নববর্ষ ভাতা (২০% হারে)
ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা (ক অঞ্চল)১৮,১৮০ টাকা৯,০৯০ টাকা (বছরে ২ বার)৩,৬৩৬ টাকা
অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন ও সাভার পৌর এলাকা (খ অঞ্চল)১৭,১৭৫ টাকা৮,৫৮৭.৫০ টাকা (বছরে ২ বার)৩,৪৩৫ টাকা
জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় (গ অঞ্চল – দেশের অধিকাংশ স্কুল)১৬,৬৭৩ টাকা৮,৩৩৬.৫০ টাকা (বছরে ২ বার)৩,৩৩৪.৬০ টাকা

বিশেষ দ্রষ্টব্য: নতুন নীতিমালা অনুযায়ী কোনো ঠিকাদার বা তৃতীয় পক্ষ নগদে এই টাকা দিতে পারবে না; প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে কর্মীর নিজ নামীয় ব্যাংক একাউন্ট অথবা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (বিকাশ/নগদ/রকেট) হিসাবে সরাসরি পরিশোধ করা বাধ্যতামূলক। আউটসোর্সিংয়ের সকল ক্যাটাগরির বেতন দেখতে পড়ুন আউটসোর্সিং নীতিমালা বেতন কাঠামো ২০২৬।

২. চাকরি স্থায়ীকরণ ও রাজস্ব খাতে স্থানান্তর: গুজব বনাম বাস্তবতা

দপ্তরী কাম প্রহরীদের সবচেয়ে বড় ও দীর্ঘদিনের দাবি হলো—পদটিকে আউটসোর্সিং থেকে মুক্ত করে রাজস্ব খাতে (Revenue Sector) স্থানান্তর বা চাকরি স্থায়ীকরণ করা। এ বিষয়ে ২০২৬ সালের প্রকৃত আইনি ও প্রশাসনিক অবস্থান প্রতিটি কর্মীর পরিষ্কারভাবে জানা প্রয়োজন:

  • পদের বর্তমান আইনি মর্যাদা: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ দাপ্তরিক অবস্থান অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরী পদটি সাংগঠনিক কাঠামোভুক্ত (TO&E) কোনো সরকারি রাজস্ব পদ নয়; এটি ২০১৯ সালের সংশোধিত নীতিমালা ও ২০২৫ সালের আউটসোর্সিং সেবাগ্রহণ নীতিমালার আওতায় পরিচালিত চুক্তিভিত্তিক পদ।
  • জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ কি দপ্তরীদের জন্য প্রযোজ্য? না। জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ (এস.আর.ও. নং ৩৪৭-আইন/২০২৬) কেবল রাজস্ব খাতভুক্ত সরকারি কর্মচারী ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রযোজ্য। তবে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে অর্থ বিভাগ পর্যায়ক্রমে আউটসোর্সিং কর্মীদের সেবামূল্যও পুনর্নির্ধারণ করে থাকে।
  • উচ্চ আদালতের রিট ও শ্রম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ: দীর্ঘ ১০–১২ বছর ধরে একই বিদ্যালয়ে কর্মরত দপ্তরীদের একাংশ হাইকোর্টে একাধিক রিট পিটিশন দায়ের করেছেন এবং শ্রম সংস্কার কমিশন ও মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন। আদালত বিভিন্ন সময়ে রিটকারীদের চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষা ও বকেয়া সেবামূল্য পরিশোধের নির্দেশনা দিলেও সারাদেশের সকল দপ্তরী কাম প্রহরীর পদ একযোগে রাজস্ব খাতে স্থায়ী করার কোনো সরকারি প্রজ্ঞাপন বা গেজেট এখনো জারি হয়নি। তাই কেউ “টাকা দিলে চাকরি রাজস্ব খাতে স্থায়ী করে দেওয়ার” প্রলোভন দেখালে সে ধরনের প্রতারণা থেকে সম্পূর্ণ সতর্ক থাকুন।

৩. উৎসব ভাতা ও নববর্ষ ভাতা নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ চিঠি (স্মারক-১৮৮)

আগে দপ্তরী কাম প্রহরীরা মাসে নির্দিষ্ট সেবামূল্য পেলেও ঈদ বা পহেলা বৈশাখে কোনো বোনাস পেতেন না। নতুন আউটসোর্সিং নীতিমালায় বছরে ২টি উৎসব প্রণোদনা (৫০% হারে) এবং ১টি বৈশাখী ভাতা (২০% হারে) যুক্ত হওয়ার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বাজেট ও অডিট শাখা থেকে স্মারক নং ৩৮.০০.০০০০.০০০.০০৬.০২.০০০১.২৫-১৮৮ মূলে অর্থ বিভাগের কাছে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব ও ব্যাখ্যা পাঠানো হয়েছে।

উপজেলা শিক্ষা অফিসগুলোর মাধ্যমে কর্মরত দপ্তরীদের হালনাগাদ তালিকা ও আর্থিক সংশ্লেষের হিসাব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে (DPE) সংকলন করা হচ্ছে, যাতে ‘সাকুল্য বেতন’ বা আউটসোর্সিং অর্থনৈতিক কোড থেকে নিয়মিতভাবে এই উৎসব ও নববর্ষ ভাতা ছাড় করা যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়তে দেখুন আমাদের বিশেষ প্রতিবেদন: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী কাম প্রহরীদের উৎসব ভাতা ও নববর্ষ ভাতা ২০২৬।

৪. ২৪ ঘণ্টা ডিউটি ও কর্মঘণ্টা সংস্কার এবং ১৫ দিনের ছুটি

দপ্তরী কাম প্রহরীদের সবচেয়ে বড় মানবিক সংকট ছিল তাদের কর্মঘণ্টা। একদিকে দিনের বেলা বিদ্যালয় চলাকালীন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ঘণ্টা বাজানো ও দাপ্তরিক কাজ (দপ্তরী), অন্যদিকে রাতের বেলা বিদ্যালয় পাহারা দেওয়া (প্রহরী)—ফলে কার্যত এক ব্যক্তিকে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হতো এবং কোনো সাপ্তাহিক বা বার্ষিক ছুটি ছিল না।

নতুন নীতিমালায় যা যা সংস্কার হয়েছে এবং আলোচনায় রয়েছে:

  • বছরে ১৫ দিন সবেতন ছুটি: নতুন নীতিমালা অনুযায়ী এখন থেকে দপ্তরী কাম প্রহরীরা প্রতি পঞ্জিকাবর্ষে পূর্ণ সেবামূল্যসহ ১৫ দিন নৈমিত্তিক/বার্ষিক ছুটি ভোগ করার আইনি অধিকার পেয়েছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনুমোদনক্রমে বিকল্প ব্যবস্থা রেখে তারা এই ছুটি নিতে পারবেন।
  • দায়িত্বের পরিধি ও কর্মঘণ্টা সংস্কার প্রস্তাব: শ্রম আইন অনুযায়ী একজন কর্মীকে দিয়ে দিনে ২৪ ঘণ্টা ও সপ্তাহে ৭ দিন কাজ করানো অমানবিক—এই যুক্তিতে দপ্তরী সংগঠনের পক্ষ থেকে ১১ দফা কাজের পরিধি সংস্কার এবং রাত্রিকালীন প্রহরার সময়সীমা সুনির্দিষ্ট করার প্রস্তাব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে বিবেচনাধীন রয়েছে।
  • সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অন্তর্ভুক্তি: আউটসোর্সিং নীতিমালার নতুন বিধান অনুযায়ী ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সী সকল দপ্তরী কাম প্রহরীকে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’ (প্রগতি/সুরক্ষা)-এ অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে ৬০ বছর বয়সের পর তারা আজীবন মাসিক পেনশন পান।

৫. বেতন বা ভাতা আটকে থাকলে দপ্তরী কাম প্রহরীদের করণীয়

অনেক উপজেলায় চুক্তির মেয়াদ নবায়ন বা বাজেট বরাদ্দের জটিলতায় দপ্তরী কাম প্রহরীদের ২–৩ মাসের সেবামূল্য বা উৎসব ভাতা বকেয়া পড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে করণীয় হলো:

  1. প্রধান শিক্ষকের প্রত্যয়ন গ্রহণ: প্রথমেই আপনার বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে নিয়মিত উপস্থিতি ও সন্তোষজনক দায়িত্ব পালনের প্রত্যয়নপত্র (Attendance Certificate) সংগ্রহ করুন।
  2. উপজেলা শিক্ষা অফিসে (UEO) যোগাযোগ: উপজেলা শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে বকেয়া মাসের চাহিদাপত্র জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে (DPEO) প্রেরণ নিশ্চিত করুন।
  3. ব্যাংক হিসাব সচল রাখা: আপনার নিজ নামের ব্যাংক হিসাব বা এমএফএস একাউন্টের কেওয়াইসি (KYC) ও রাউটিং নম্বর ঠিক আছে কি না তা উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে যাচাই করে নিন।
  4. লিখিত অভিযোগ দাখিল: অযৌক্তিকভাবে বেতন বা ভাতা আটকে রাখা হলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (মিরপুর-২, ঢাকা) মহাপরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন অথবা সরকারি হেল্পলাইন ৩৩৩-এ কল করে অভিযোগ জানাতে পারেন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর (FAQ)

প্রশ্ন ১: ২০২৬ সালে গ্রাম বা উপজেলা পর্যায়ের একজন দপ্তরী কাম প্রহরীর মাসিক বেতন কত?
উত্তর: অর্থ বিভাগের নতুন আউটসোর্সিং নীতিমালার ক্যাটাগরি-৫ অনুযায়ী জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে (গ অঞ্চল) একজন দপ্তরী কাম প্রহরীর মাসিক সেবামূল্য ১৬,৬৭৩ টাকা।

প্রশ্ন ২: দপ্তরী কাম প্রহরীদের চাকরি কি ২০২৬ সালে রাজস্ব খাতে স্থায়ী হয়েছে?
উত্তর: না। এখন পর্যন্ত দপ্তরী কাম প্রহরী পদটি রাজস্ব খাতে স্থানান্তর বা স্থায়ী করার বিষয়ে সরকার কোনো চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। এটি এখনো আউটসোর্সিং নীতিমালার আওতায় চুক্তিভিত্তিক পদ হিসেবেই পরিচালিত হচ্ছে।

প্রশ্ন ৩: দপ্তরী কাম প্রহরীরা বছরে কয়টি বোনাস ও কত দিন ছুটি পান?
উত্তর: নতুন নীতিমালা অনুযায়ী তারা বছরে ২টি উৎসব বোনাস (প্রতিটি মাসিক সেবামূল্যের ৫০%), পহেলা বৈশাখে ১টি নববর্ষ ভাতা (মাসিক সেবামূল্যের ২০%) এবং বছরে ১৫ দিন সবেতন ছুটি পাওয়ার অধিকারী।

প্রশ্ন ৪: নতুন দপ্তরী কাম প্রহরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ কবে প্রকাশ হবে?
উত্তর: দীর্ঘদিন ধরে আদালত সংক্রান্ত জটিলতা ও নীতিমালা সংস্কারের কাজের কারণে অনেক উপজেলায় নতুন নিয়োগ স্থগিত ছিল। সংস্কারকৃত আউটসোর্সিং নীতিমালার আলোকে উপজেলাভিত্তিক শূন্য পদের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা শিক্ষা অফিসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে জনবল সেবা ক্রয় করা হয়।

সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট ও ক্যালকুলেটর

📌 আরও পড়ুন: সরকারি অফিসে অফিস সহায়ক এর কাজ কি, বেতন ও পদোন্নতি

1 thought on “দপ্তরী কাম প্রহরী নতুন খবর ২০২৬: বেতন-ভাতা, উৎসব বোনাস, কর্মঘণ্টা ও চাকরি স্থায়ীকরণের সর্বশেষ আপডেট”

Leave a Comment

Share with